অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

একজন সমাজ বিজ্ঞানী, অর্থনীতির অধ্যাপক এবং জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব বিনয়কুমার সরকার

0

বিশ শতকের প্রথম দিকে সারা বাংলায় স্বদেশি শিক্ষা আন্দোলনের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাঁরা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন তাঁদের একজন বিনয়কুমার সরকার। এ কালের মানুষ ভুলে গিয়েছেন বিনয়কুমারকে। ২৬ ডিসেম্বর তাঁর জন্মদিন ছিল। ১৮৮৭ সালের এই দিনে জন্ম হয় তাঁর। বিনয়কুমার সরকার একজন সমাজ বিজ্ঞানী, অর্থনীতির অধ্যাপক এবং জাতীয়তাবাদী ব্যক্তিত্ব। কলকাতায় বেঙ্গলী ইনস্টিটিউট অফ সোশিয়োলজি, বেঙ্গলি এশিয়া অ্যাকাডেমি, বেঙ্গলি দান্তে সোসাইটি, বেঙ্গলি ইনস্টিটিউট অফ আমেরিকান কালচার সহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ১৯০৫ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ঈশান স্কলারশিপ-সহ ইংরেজি ও ইতিহাস বিষয়ে স্নাতক হন। ১৯০৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ পাশ করেন। ডেপুটির চাকরি পেয়েও তা প্রত্যাখ্যান করে স্বদেশী আন্দোলনে যোগদান করেন। ১৯১৪ থেকে ১৯২৫ সালে তিনি বিশ্ব-পর্যটন করেন। বিদেশের বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। ১৯২৬ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি জাতীয় সমাজতন্ত্র তথা নাৎসিবাদের  সমর্থক ছিলেন। তাঁর দৃষ্টিতে এটি ছিল জনহিতৈষী একনায়কতন্ত্র এবং ভারতের জন্য উপযুক্ত। বিদেশে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী বিপ্লবীদের নানা ভাবে সাহায্য করতেন তিনি। বিনয় সরকার বাংলা-সহ ইংরেজি, জার্মান, ফরাসি, ইতালি ভাষা জানতেন। তাঁর রচিত গ্রন্থ শতাধিক। বিনয়কুমার সরকারের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হল– চীনা সভ্যতার অ আ ক খ, দ্য সাইন্স অব হিস্ট্রি অ্যান্ড দ্য হোপ অব ম্যানকাইন্ড, লভ ইন হিন্দু লিটারেচার, হিন্দু সমাজবিজ্ঞানের ইতিবাচক পটভূমি, বৈজ্ঞানিক বিকাশের ইতিহাসের একটি গবেষণায় সঠিক বিজ্ঞানে হিন্দু অর্জন। রমেশচন্দ্র দত্ত, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, দীনেশচন্দ্র সেন, যদুনাথ সরকার প্রমুখের ঐতিহ্যই বহন করতেন বিনয়কুমার সরকার।    

Leave A Reply

Your email address will not be published.