অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

ত্রিপুরার আগরতলায় মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

0

মঙ্গলবার ত্রিপুরার আগরতলায় মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী (Modi In Tripura) নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। তিনি বলেন, “আমি বিমানবন্দর থেকে এখানে এসেছি, মানুষ আমাকে আশীর্বাদ করেছে। ডাবল ইঞ্জিনের সরকারের সঙ্গে দ্বিগুণ উন্নয়ন করে এই ভালোবাসা ফিরিয়ে দেব।” এদিন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধনের আগে, প্রধানমন্ত্রী মোদি সমগ্র ইন্টিগ্রেটেড টার্মিনাল বিল্ডিং পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া এবং ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর টার্মিনালটি ৩০,০০০ বর্গমিটার জুড়ে বিস্তৃত। প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরা গ্রাম সমৃদ্ধি যোজনা এবং বিদ্যাজ্যোতি স্কুল প্রকল্প মিশনও চালু করেন। মোদি বললেন- “আমি বিমানবন্দর থেকে এসেছি, দেখছিলাম। পথে সবাই অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। আমি ডাবল ইঞ্জিনের শক্তি অনুসারে ডাবল সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের সঙ্গে আপনাদের এই ভালবাসা ফিরিয়ে দেব। আমি বিশ্বাস করি. ত্রিপুরার জনগণ আমাদের প্রতি যে ভালোবাসা ও স্নেহ দিয়েছেন তা ভবিষ্যতেও পাওয়া যাবে।” মোদি আরও বলেন, “ডাবল ইঞ্জিন সরকার ডাবল ফাস্ট কাজ করছে।” টার্মিনালটির উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী   (Modi In Tripura) বলেন, “যখন এমন একটি সরকার থাকে যা কেন্দ্রে এবং রাজ্যে উন্নয়নকে সর্বাগ্রে রাখে, তখন কাজ দ্বিগুণ দ্রুত হয়। তাই ডাবল ইঞ্জিনের সরকারের কোনও বিকল্প নেই। ডাবল ইঞ্জিনের সরকার মানে সম্পদের সঠিক ব্যবহার। মানে অনেক সংবেদনশীলতা। ডাবল ইঞ্জিন সরকার, অর্থাৎ জনগণের ক্ষমতার প্রচার। ডাবল ইঞ্জিন সরকার মানেই সেবা, নিষ্ঠা। অর্থাৎ সংকল্পের পূর্ণতা। ডাবল ইঞ্জিন সরকার অর্থাৎ সমৃদ্ধির দিকে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা।” তিনি একইসঙ্গে বলেন, “সবার বিকাশ নিয়েই এগোনো হবে। কিছু রাজ্য পিছিয়ে আছে। কেউ বিকাশের জন্যে সুবিধা পায় না, অপেক্ষা করে থাকতে হয়। যা রাষ্ট্রের জন্যে ভাল নয়। সবাইকে এদিন বাংলায় নমস্কার জানান মোদি। বাংলা ভাষাতেই জানান, “২০২২ সালের অনেক অনেক শুভেচ্ছা।” পুর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগে বিকাশের গাড়িতে ব্রেক লাগানো ছিল। আগের সরকার কাজ করেনি। এই জন্যেই আমি ত্রিপুরাকে HIRA প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। HIRA মডেলেই ত্রিপুরা এগোবে। H অর্থাৎ হাইওয়ে, I অর্থাৎ ইন্টারনেট, R অর্থাৎ রেলওয়ে, A অর্থাৎ এয়ারওয়েজ। তিনি আরও বলেন, নয়া বিমানবন্দরের টার্মিনালের জন্যে উত্তর পূর্ব ভারতের বিমানের সংযোগ বাড়বে। ব্যবসা-বাণিজ্য সুবিধা হবে। রেল করিডরও এখানে হচ্ছে। পাশাপাশি বাংলাদেশের সঙ্গে জলপথেও যোগাযোগ বাড়াচ্ছে উত্তরপূর্বের এই রাজ্য। মোদি বলেন, আগামী দিনে উত্তর পূর্ব ভারতের গেটওয়ে বানানো হবে ত্রিপুরাকে। আধুনিক পরিকাঠামো বিকাশ করা হচ্ছে দ্রুত। যা আগে কেউ করেনি। বর্তমান ত্রিপুরা সরকার মানুষের সরকার। মানুষের পাশে থাকার সরকার। 

Leave A Reply

Your email address will not be published.