অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

দশ দিনের জন্য উত্তর কোরিয়ার (North Korea) নাগরিকদের হাসির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে সে দেশের প্রসাসন

দশ দিনের জন্য উত্তর কোরিয়ার (North Korea) নাগরিকদের হাসির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে সে দেশের প্রসাসন। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও জাতীয় সংবাদমাধ্যম মারফত এই খবর মিলেছে। উত্তর কোরিয়ার প্রাক্তন শাসক কিম জং ইল-এর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ডিসেম্বরের ১৭ থেকে পরবর্তী দশদিন এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। এর পাশাপাশি আরও বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করেছে উত্তর কোরিয়ার প্রশাসন।

আরও বেশ কয়েকটি নিয়ম চালু করেছে সে দেশের প্রশাসন। শুধু হাসির উপর নিষেধাজ্ঞা নয়, মদ খাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এই দশ দিন। অবসর যাপন, উৎসবে মেতে ওঠাতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকার সিনজুইজু-এর এক বাসিন্দা এ কথা জানিয়েছেন রেডিও ফ্রি এশিয়াকে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে নাগরিকদের পেতে হবে কঠিন শাস্তি। নিজের পরিচয় গোপন করে উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা জানিয়েছেন, এর আগেও যখন জাতীয় শোক চলে, তখন মদ খেয়ে থাকার অভিযোগে অসংখ্য মানুষকে গ্রেফতার করেছে উত্তর কোরিয়ার প্রশাসন। তাঁদের কঠিন সাজাও দেওয়া হয়েছে। কাউকে কাউকে খুঁজেও পাওয়া যায়নি। এই জাতীয় শোকের সময় কেউ শ্রাদ্ধের কোনও অনুষ্ঠানও করতে পারবেন না, পারবেন না জন্মদিন পালন করতে। অন্য একটি সূত্রের খবর, এই মাসের শুরুতেও এমনই সব কড়া নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছিল পুলিশ, যাতে জাতীয় শোকের সময় সকলের মানসিকতা সঠিক ভাবে তৈরি হয়। সেই নিয়মেরই পূর্ণ প্রয়োগ করা হচ্ছে শুক্রবার থেকে। উত্তর কোরিয়ায় নানাবিধ নিয়ম ও কঠোর আইন কার্যকর করার ইতিহাস সকলেই জানেন। একনায়কতন্ত্রের কারণে সেখানে নানাবিধ উদ্ভট আইনও রয়েছে। সেগুলি নিয়ে বিস্তর আলোচনা সমালোচনাও হয়েছে বহুদিন। তবে উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং উন, এই নিয়ে বিশেষ ভাবিত নন। তিনি নিজের মতো দেশ শাসন করে চলেছেন। এমন কী মাঝে মধ্যে আমেরিকার মতো শক্তিধর দেশের বিরুদ্ধেও মুখ খুলতে দেখা যায় তাঁকে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.