অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই নয়া সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাসের

0

ভারত এবং বাকি বিশ্ব জুড়ে (COVID-19) কোভিডের তৃতীয় ঢেউয়ের (Third Wave) মধ্যেই নয়া সতর্কবার্তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাসের। তিনি সতর্ক করেছেন, “ওমিক্রন (Omicron) ভ্যারিয়ান্ট একটি বিপজ্জনক ভাইরাস বিশেষ করে যাদের টিকা দেওয়া হয়নি বা যারা এখনও টিকা নেয়নি, তাদের জন্য। ” 

টেড্রোস বলেন, যদিও ওমিক্রনের সংক্রমণের জেরে ডেল্টার তুলনায় কম জটিল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও এটি একটি ‘বিপজ্জনক’ ভাইরাস-ই রয়ে গিয়েছে। বিশেষ করে যাদের টিকা দেওয়া হয়নি তাদের জন্য। কারণ, সব দেশে কোভিডের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পিছনে রয়েছে এই ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্ট। ডেল্টাকে সরিয়ে জায়গা করে নিচ্ছে অতি সংক্রামক ওমিক্রন।

এপ্রসঙ্গে WHO প্রধান আফ্রিকার কোভিড-১৯ টিকা দেওয়ার হার উল্লেখ করে বলেন, “আফ্রিকাতে ৮৫ শতাংশেরও বেশি মানুষ এখনও একটি ডোজও ভ্যাকসিন পাননি। যা উদ্বেগজনক। এই পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত আমরা অতিমারীর চরম পর্যায়টি শেষ করতে পারব না।” তিনি জানান, টিকার হার দ্রুত করতে ডিসেম্বর মাসে নভেম্বরে পাঠানো COVAX ডোজের দ্বিগুণ সংখ্যক ডোজ পাঠানো হয়েছে। আগামী দিনে COVAX-এর আরও ১ বিলিয়ন ডোজ পাঠানো হবে।

বর্তমানে বিভিন্ন দেশে কোভিড ভ্যাকসিন সরবরাহ সহজ হতে শুরু করেছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে টেড্রোস আরও বলেন, “চলতি বছরের মাঝামাঝি প্রতিটি দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশের সম্পূর্ণ টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। সেই পথ পৌঁছতে আমাদের এখনও দীর্ঘ পথ যেতে হবে। কারণ বিশ্বের ৯০টি দেশ এখনও ৪০ শতাংশ টিকাকরণ লক্ষ্যেও পৌঁছাতে পারেনি। আর সেই দেশগুলির মধ্যে ৩৬টি দেশ আবার মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশেরও কম লোককে টিকা দিয়েছে।”

Leave A Reply

Your email address will not be published.