অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বড় হুঁশিয়ারি দিল চিন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বড় হুঁশিয়ারি দিল চিন। ২০২২ সালে বেজিংয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলা শীতকালীন অলিম্পিকের কূটনৈতিক বয়কটের ঘোষণা করেছে জো বাইডেন সরকার। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার চিনের কড়া বার্তা, ‘এর মূল্য চোকাতে হবে’ আমেরিকাকে। আসন্ন শীতকালীন বেজিং অলিম্পিক্স কূটনৈতিক ভাবে বয়কটের ঘোষণা আগেই করেছিল চিন। এরপর যদিও নরমেগরমে সুর চড়িয়েছিল চিন। কিন্তু সেই বিষয়টিকে পাত্তা দেয়নি আমেরিকা। 

যদিও কোনও আমেরিকান আধিকারিক এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় যোগ দেবেন না, গত মাসেই এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এদিকে আমেরিকার মতো একই পথে হেঁটেছে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডা। এই প্রসঙ্গে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন এবং কানাডার রাজনৈতিক কারসাজির জন্য অলিম্পিক প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার করেছে। এই অন্যায়ের জন্য মূল্য দিতে হবে।’ 

চিনে সংখ্যালঘু মুসলিমদের হত্যা, এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়গুলির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বের প্রথম সারির একাধিক দেশ।আমেরিকার এই কূটনৈতিক বয়কট মানে এই নয় যে সে দেশের অ্যাথলিটরা যাবেন না। তাঁরা অলিম্পিক্সে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে কোনও খেলোয়াড় যদি অংশ নিতে চান তা হলে সরকার তাঁকে সব রকম সাহায্য করবে। আন্তর্জাতিক এই অনুষ্ঠান বয়কট করবেন কেবল কূটনীতিকরা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর একই পথে হেঁটেছে অস্ট্রেলিয়াও। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন জানিয়েছিলেন, “অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা নিজেদের অবস্থানে যেমন ছিলাম সেখান থেকে একচুলও নড়ব না।বেজিং-এ আমাদের কোনও প্রতিনিধি দল না পাঠানো, একেবারেই আশ্চর্যের বিষয় নয়।” সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ায় উৎপাদিত একাধিক পণ্যের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল চিন। ওয়াকিবহাল মহলের মত, সেই প্রেক্ষাপটও জড়িত থাকতে পারে এই বয়কটের নেপথ্যে। দক্ষিণ চিন সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় রাজনীতিতে চিনের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে আমেরিকার সঙ্গে দাঁড়িয়েছে অস্ট্রেলিয়াও। বাইডেন প্রশাসনের ঘোষণার পরই নিজেদের অবস্থান জানায় মরিসনের দেশ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.