অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

গঙ্গাসাগর মেলার (Gangasagar Mela) অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

0

শর্তসাপেক্ষে গঙ্গাসাগর মেলার (Gangasagar Mela) অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মেলা নিয়ে দুই সদস্যের নয়া কমিটিও তৈরি হয়েছে। কমিটিতে চেয়ারপার্সন হিসাবে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্য লিগ্যাল সার্ভিস অথরিটির এক সদস্য। মেলা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এই কমিটি নেবে। কমিটি থেকে বাদ পড়লেন শুভেন্দু অধিকারী।

তবে মেলায় যাওয়ার ৭২ ঘণ্টা আগে RTPCR পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলে তবেই মেলায় প্রবেশের অনুমতি মিলবে। এছাড়াও জোড়া ভ্যাকসিন সার্টিফিকেট না থাকলে মেলায় প্রবেশ নয়। পুরো গঙ্গাসাগর দ্বীপকে নোটিফায়েড জোন হিসাবে ঘোষণা করতে হবে। এই সমস্ত বিষয় কার্যকর করবেন মুখ্যসচিব। তবে শর্ত মানা হচ্ছে কি না, তার উপর নজর রাখবে দুই সদস্যের কমিটি। রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এ পরিস্থিতিতে গঙ্গাসাগর মেলা  বন্ধের আরজি জানিয়ে ফের মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টে। এই মর্মে আদালতে ৫টি ভিন্ন ভিন্ন আবেদন জমা পড়েছে।মামলাকারীদের আশঙ্কা, ১৪ তারিখ পর্যন্ত মেলা চললে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। যদিও রাজ্যের তরফে এদিনও আদালতে জানানো হয়, মেলার উপর কড়া নজরদারি রয়েছে। কোভিডবিধি মেনেই চলবে মেলা। 

সবকটি মামলার একত্রে শুনানি চলছিল। তিন সদস্যের কমিটিতে শুভেন্দু অধিকারীর থাকা নিয়ে আপত্তি ওঠে। মামলাকারীদের যুক্তি, আদালতের গঠিত কমিটিতে কোনও ভাইরোলজিস্ট বা চিকিৎসককে রাখা হয়নি। এরপরেই নতুন করে দুই সদস্য়ের কমিটি গঠন করা হয়। 

মামলাকারীদের আরও দাবি, গত ৩ তারিখ থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত দ্রুত গতিতে বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। এমনকী, মেলায় যোগ দেওয়ার জন্য যাঁরা আসছেন তাঁদের মধ্যেও অনেকে সংক্রমিত। অনেকে উপসর্গহীন। এই পর্যায়ে মেলা হলে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে না।

Leave A Reply

Your email address will not be published.