অসম আদিত্য - দেশ-জাতিৰ অতন্দ্ৰ প্ৰহৰী
শেহতীয়া খবৰ
পাকিস্তানৰ বিখ্যাত আনাৰকলি বজাৰ অঞ্চলত বোমা বিস্ফোৰণ-পদ্মশ্ৰী উদ্ধাৱ কুমাৰ ভৰালীৰ আত্মসমৰ্পণ-গণৰাজ্য দিৱস সমাগত, খাদী বৰ্ডৰ একাংশ কৰ্মচাৰী ব্যস্ত হৈ পৰিছে ৰাষ্ট্ৰীয় পতাকা সাজি উলিওৱাত-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-অসম চৰকাৰে কোভিড আক্ৰান্তৰ বাবে সংশোধিত গাইড লাইন জাৰি কৰিছে-চীনে কৃত্ৰিম সূৰ্যৰ পিছত এতিয়া নকল চন্দ্ৰ (Artificial Moon) নিৰ্মাণ কৰিছে-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-বুজন সংখ্যক লোকক এতিয়া বিচাৰি ভেকচিন দিয়াটো হৈ পৰিছে স্বাস্থ্য বিভাগৰ কাৰণে ডাঙৰ প্ৰত্যাহ্বান-দেশত কোৰোণাত আক্ৰান্তৰ সংখ্যা দিনক দিনে বৃদ্ধি পাইছে-নামনিৰ ৰে’ল যোগাযোগৰ ক্ষেত্ৰত আজি এক ঐতিহাসিক দিন

এক অপূর্ব কারুকৃতির হোটেল, যার দেওয়াল থেকে শুরু করে মেঝে, ছাদ—সবই বরফের

ঘরের ভেতরে তাপমাত্রা মাইনাস ৫ থেকে মাইনাস ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। সন্ধ্যা ছ’টা বাজতেই গেস্টরা ঢুকে পড়তে পারবেন ঘরগুলিতে। এ ঘরে ঘুমনোর জন্য দেওয়া হয় বিশেষ ধরনের স্লিপিং ব্যাগ। কনকনে ঠান্ডার মধ্যে কীভাবে টিকে থাকতে হবে, তা আগে থেকেই শিখিয়ে-পড়িয়ে নেওয়া হয় অবশ্য। 

ভাবছেন, কেউ ট্রেকিংয়ে গিয়েছেন, আর সেই ট্যুরের অভিজ্ঞতাই এখানে বর্ণনা করা হচ্ছে? 
না! এটা আসলে একটি হোটেল। বরফের হোটেল। সেই হোটেলের ঘরে থাকতে গিয়ে ঠান্ডায় জমে গেলে ঘাবড়াবারও কিছু নেই। যখন খুশি ঘর থেকে বেরিয়ে নির্ধারিত স্থানে গিয়ে গা গরম করে নিলেই হল!

এক অপূর্ব কারুকৃতির হোটেল, যার দেওয়াল থেকে শুরু করে মেঝে, ছাদ—সবই বরফের। বরফের ভেতরেই রংবেরঙের ফুল আর সবুজ পাতা। ছাদ থেকে নেমে এসেছে বরফের ঝাড়বাতি। এই হল সুইডেনের ‘আইস হোটেল’। হোটেলটির একটি অংশ এই ভাবে সাজানো হয়েছে। নাম ‘মিডসামার নাইটস ড্রিম’।

বরফ দিয়ে তৈরি বিশ্বের প্রথম হোটেল এটি। তৈরির কৃতিত্ব সুইডেনের এই আইস হোটেল কর্তৃপক্ষের। হোটেলটি তৈরি হয়েছিল ১৯৮৯ সালে। এর পর থেকে প্রতি শীতেই এটি নতুন করে সাজানো হয়। এবারের নতুন যোগ হয়েছে এই ‘মিডসামার নাইটস ড্রিম’। এর নকশাটি করেছেন সুইডেনের যুবরাজ কার্ল ফিলিপ ও তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার অস্কার কিলবার্গ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.